Singapore working visa for Bangladeshi সিঙ্গাপুর ভিসা প্রসেসিং ও আবেদন

বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর ভিসা আবেদন

বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে  কাজের ভিসা  Work Visa / Work Permit / Employment Pass পেতে হলে কিছু নির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করতে হয়। নিচে বিস্তারিত প্রসেসিং গাইডলাইন দিলাম:

 সিঙ্গাপুরে কাজের ভিসার ধরন

  1. Employment Pass EP
  • যারা প্রফেশনাল চাকরি  (ইঞ্জিনিয়ার, আইটি, ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি) পান।
  • ন্যূনতম বেতন সাধারণত SGD 5,000+ (পদের উপর নির্ভর করে)।
  1. S Pass
  • মাঝারি দক্ষতার চাকরি (টেকনিক্যাল, সুপারভাইজার, হেলথকেয়ার সাপোর্ট ইত্যাদি)।
  • ন্যূনতম বেতন SGD 3,000+।
  1. Work Permit WP
  • কম দক্ষতা বা শ্রমিক শ্রেণির চাকরি (কনস্ট্রাকশন, শিপইয়ার্ড, ম্যানুফ্যাকচারিং, মেইড ইত্যাদি)।
  • এই ভিসা সরাসরি সিঙ্গাপুরের কোম্পানি / লাইসেন্সধারী এজেন্টের মাধ্যমে হয়।

ভিসা প্রসেসিং ধাপ

  • *চাকরি পাওয়া*
  • সিঙ্গাপুরে কাজের ভিসা শুধুমাত্র চাকরির অফার পাওয়ার পর করা যায়।
  • অর্থাৎ *কোম্পানি / নিয়োগকর্তা আপনাকে স্পন্সর করবে*।
  • *নিয়োগকর্তার আবেদন*
  • নিয়োগকর্তা (Employer) সিঙ্গাপুরের *Ministry of Manpower (MOM)*-এ আপনার পক্ষে ভিসার জন্য আবেদন করে।
  • *ভিসা অনুমোদন (In-Principle Approval – IPA)*
  • MOM থেকে ভিসার অনুমোদন লেটার (IPA) আসে।
  • এটি নিয়োগকর্তা আপনাকে পাঠাবে।

ভিসা স্ট্যাম্পিং ও ভ্রমণ 

  • IPA লেটার নিয়ে বাংলাদেশে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনে (ঢাকা) বা অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিসা স্ট্যাম্প করতে হয়।
  • এরপর সিঙ্গাপুরে প্রবেশ করে মেডিকেল টেস্ট পাস করতে হয়।
  1. Work Permit / Pass কার্ড সংগ্রহ
  • মেডিকেল ক্লিয়ার হওয়ার পর MOM থেকে আপনার Work Permit / EP / S Pass কার্ড ইস্যু করা হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

  • বৈধ পাসপোর্ট (৬ মাসের বেশি মেয়াদ থাকতে হবে)
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • চাকরির অফার লেটার / কন্ট্রাক্ট
  • শিক্ষাগত সনদপত্র (EP/S Pass-এর জন্য)
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (কিছু ক্ষেত্রে)
  • মেডিকেল টেস্ট রিপোর্ট

 খরচ ও সময়

  • ভিসা ফি সাধারণত ৩০ – ১০৫ SGD (ভিসার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন)।
  • প্রসেসিং টাইম: সাধারণত ১–৩ সপ্তাহ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে *নিজে ভিসা আবেদন করা যায় না*, শুধুমাত্র নিয়োগকর্তা বা MOM অনুমোদিত এজেন্ট করতে পারে। অনেক ভুয়া এজেন্সি টাকা নিয়ে প্রতারণা করে, তাই *MOM অনুমোদিত এজেন্ট* বা সরাসরি কোম্পানির মাধ্যমে আবেদন করাই নিরাপদ। অফিসিয়াল তথ্য সবসময় পাওয়া যাবে [Singapore MOM website mom gov sg

সিঙ্গাপুর ভিসা কত প্রকার?

মোটামুটি ভাগ করলে সিঙ্গাপুর ভিসার ধরন হলো –

  • কাজের ভিসা (Work Pass)
  • ভ্রমণ ভিসা (Visit/Tourist Visa)
  • শিক্ষা ভিসা (Student Pass)
  • ডিপেনডেন্ট/ফ্যামিলি ভিসা
  • স্থায়ী বসবাস (PR)

 বাংলাদেশে সিঙ্গাপুর ভিসা এজেন্টদের লিস্ট

WORKPASS PTE LTD

MOM EA রেজিস্ট্রেশন: R1150861, লাইসেন্স: 21C0833 — সূচীপত্রভুক্ত, ২০১১ সাল থেকে কাজ করছে

Employment Hub International Agency

MOM লাইসেন্স নম্বর: 24C2159; দক্ষতার সাথে উত্তর দেওয়া এবং সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন সেক্টরে কাজের পাস প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে

Manpower Singapore

যদিও MOM-অনুমোদনের বিস্তারিত লিস্টে সরাসরি না পাওয়া গেলেও, এটি একটি বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান

Singapore Bangladesh Services

BAIRA-এর RL নং: 561; ঠিকানা: ভিন্ন, ঢাকা ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ও যোগাযোগ তথ্য পাওয়া যায়

সিঙ্গাপুর ভিসা কিভাবে যাচাই করব?

  • MOM (Ministry of Manpower) – Work Pass যাচাই
  • ওয়েবসাইট: MOM Work Pass Status Check
  • এখানে যাচাই করতে পারবেন:
  • Employment Pass (EP)
  • S Pass
  • Work Permit
  • Training Pass / Other Work Pass

যা লাগবে:

  • FIN নম্বর (Foreign Identification Number) অথবা
  • ফলাফল আসবে:
  • ভিসা বৈধ কিনা
  • কখন ইস্যু হয়েছে
  • মেয়াদ কবে শেষ হবে

সিঙ্গাপুরের জন্য কোন ভিসা ভালো?

যদি শুধু শ্রমিক কাজ করতে চান → Work Permit যথেষ্ট।

যদি প্রফেশনাল ক্যারিয়ার / ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে থাকতে চান → Employment Pass সবচেয়ে ভালো।

সিঙ্গাপুর বেতন কত?

ন্যূনতম বেতন সাধারণত SGD 5,000+ (পদের উপর নির্ভর করে)।

মাঝারি দক্ষতার চাকরি (টেকনিক্যাল, সুপারভাইজার, হেলথকেয়ার সাপোর্ট ইত্যাদি)।

ন্যূনতম বেতন SGD 3,000+।

সিঙ্গাপুর যেতে কত টাকা খরচ হয়?

  • ভিসা ফি সাধারণত ৩০ – ১০৫ SGD (ভিসার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন)।
  • প্রসেসিং টাইম: সাধারণত ১–৩ সপ্তাহ।
  • অন্যান্য খরচ
  • Medical check-up: SGD 40–80 (≈ 3,500–7,000 টাকা, সিঙ্গাপুরে গিয়ে করতে হয়)
  • Security Bond / Insurance: Work Permit-এর জন্য Employer জমা দেয় (SGD 5,000, কিন্তু কোম্পানি দেয়, শ্রমিক নয়)
  • Service Charge / এজেন্ট ফি: বাংলাদেশে অনেক এজেন্সি বাড়তি টাকা নেয় (৫০,০০০–৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত, চাকরির ধরণ অনুযায়ী)। এটা সরকারি ফি নয়, বরং এজেন্ট ফি।

Leave a Comment