vivo X300 Ultra: বাংলাদেশে সম্ভাব্য দাম। ইউরোপীয় বাজারে এর সম্ভাব্য দাম ৯৪৯ ইউরো ধরা হলেও, বাংলাদেশে ট্যাক্স এবং ইমপোর্ট ডিউটির কারণে এর দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। আপনি যদি এই ফোনটি কিনার আগ্রহ থাকে বিস্তারিত দেখে তারপর কিনুন।
১.বেস ভেরিয়েন্ট (12GB/256GB): আনুমানিক ১,২০,০০০ – ১,৩০,০০০ টাকা।
২.টপ ভেরিয়েন্ট (16GB/1TB): আনুমানিক ১,৫০,০০০ টাকার উপরে যেতে পারে।
৩.উপলব্ধি: সাধারণত গ্লোবাল লঞ্চের ১-২ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে অফিশিয়াল বা আন-অফিশিয়াল চ্যানেলে এটি পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
vivo X300 Ultra ক্যামেরা টেস্ট
ভিভোর এই ‘আল্ট্রা’ মডেলে মূলত ক্যামেরার ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে:
১.২০০MP মেইন সেন্সর: ১/১.১২ ইঞ্চির বিশাল সেন্সর ব্যবহারের ফলে কম আলোতে (Low light) এটি অভাবনীয় ডিটেইল ধরে রাখতে পারবে। গিম্বাল OIS থাকার কারণে ভিডিও হবে একদম স্থির।
২.২০০MP পেরিস্কোপ জুম: ৩.৭x অপটিক্যাল জুম হলেও, হাই-রেজোলিউশন সেন্সরের কারণে ১০x বা ২০x ডিজিটাল জুমেও ছবি ফাটবে না। এটি মূলত স্টেজ শো বা দূরports ফটোগ্রাফির জন্য সেরা।
৩.ZEISS পার্টনারশিপ: ZEISS T* কোটিং লেন্সের ফ্লেয়ার (Lens flare) কমাবে এবং কালার একদম ন্যাচারাল রাখবে।
৪.ভিডিওগ্রাফি: ৪K @ ১২০fps সাপোর্ট করার মানে হলো আপনি সিনেমাটিক স্লো-মোশন ভিডিও করতে পারবেন অত্যন্ত হাই কোয়ালিটিতে।
চমৎকার! আপনি যখন vivo X300 Ultra-এর গেমপ্লে এবং এতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ফিচারের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন, তখন চলুন এই ফোনের পর্দার পেছনের শক্তিশালী প্রযুক্তিগুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
গেমিং পারফরম্যান্স
এই ফোনে Snapdragon 8 Elite Gen 5 (3nm) চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা ২০২৬ সালের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রসেসর হতে যাচ্ছে।
১.Adreno 840 GPU: এটি গ্রাফিক্সের কাজে আগের প্রজন্মের চেয়ে প্রায় ৩০% বেশি গতিশীল। ফলে Genshin Impact বা PUBG Mobile-এর মতো হেভি গেমগুলো সর্বোচ্চ (Ultra) গ্রাফিক্সে কোনো ল্যাগ ছাড়াই খেলা যাবে।
২.রে-ট্রেসিং (Ray Tracing): গেমের ভেতরে আলো, ছায়া এবং পানির প্রতিফলন একদম বাস্তবের মতো দেখাবে।
৩.তাপ নিয়ন্ত্রণ (Cooling System): ভিভোর নতুন ‘ভ্যাপার চেম্বার’ কুলিং প্রযুক্তি দীর্ঘক্ষণ গেমিং করলেও ফোনকে অতিরিক্ত গরম হতে দেবে না।
৪.গেম বুস্ট মোড: এটি ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করে সবটুকু পাওয়ার গেমিংয়ে ডাইভার্ট করবে এবং নেটওয়ার্ক ল্যাটেন্সি (Ping) কমিয়ে আনবে।
আপনার জন্য একটি ছোট টিপস:
আপনি যদি মূলত ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও এডিটিং-এর জন্য ফোনটি নিতে চান, তবে এর ১TB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টটি দেখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কারণ ২০০MP-এর প্রতিটি ছবি এবং ৮K ভিডিও অনেক বেশি জায়গা দখল করে।




